চট্টগ্রাম: পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে এতিম ছাত্রদের সম্মানে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে মাদ্রাসা-এ-নুরিয়া সাবেক ছাত্র পরিষদ। সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে ভরপুর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে এতিম শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার এবং সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার আহ্বান জানানো হয়।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে, সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট আলেম হযরত আল্লামা শাহ সুফি বেলায়েত হোসেন আল কাদেরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পীরজাদা শাহ জাকির হোসেন আল কাদেরী।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্র-এর জিএম জনাব মোঃ ইমাম হোসাইন, কনকর্ড গ্রুপ ফয়েজ লেক খুলশী চট্টগ্রামের জিএম মেজর এনামুল করিম, বিশিষ্ট আলেম হযরত আল্লামা মেহেদী আকিব শাহ আল-আযহারী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-এর সহকারী অধ্যাপক জনাব মোঃ শামসুল আরেফিন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী আল মেহেদী শওকত আজম, জনাব আবুল খায়ের মোহাম্মদ সালেহ পাটোয়ারী, জনাব সৈয়দ আব্দুল করিম, নুরিয়া হাফিজিয়া এতিমখানা-এর সভাপতি এস এম রাকিবুল হাসান রাসেল, কোষাধ্যক্ষ আবু ইউসুফ খান, সেক্রেটারি শফিউল্লাহ খান, বিশিষ্ট সমাজসেবক শফিউল আজম সাজু এবং সমাজসেবক মোঃ আলী।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এতিম ও অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো ইসলামি সমাজব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদের এগিয়ে এসে এসব প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।
সভাপতির বক্তব্যে হযরত আল্লামা শাহ সুফি বেলায়েত হোসেন আল কাদেরী বলেন,
“রমজানের এই পবিত্র মাসে এতিম ও অসহায়দের সাথে ইফতার ভাগাভাগি করা শুধু মানবিক দায়িত্বই নয়, বরং এটি মহান আল্লাহর নিকট অতি প্রিয় আমল। দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত এই সন্তানরাই ভবিষ্যতে সমাজকে নৈতিকতা ও মানবিকতার পথে পরিচালিত করবে।”
প্রধান অতিথি পীরজাদা শাহ জাকির হোসেন আল কাদেরী বলেন,
“মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা আমাদের ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করে। এতিম শিক্ষার্থীদের সঠিক শিক্ষা ও লালন-পালনের মাধ্যমে একটি আদর্শ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।”
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাদ্রাসা-এ-নুরিয়া সাবেক ছাত্র পরিষদের সভাপতি হাফেজ মোঃ সাইফুল ইসলাম।
পরে এতিম শিক্ষার্থীদের সাথে ইফতার পরিবেশন করা হয় এবং দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে আয়োজনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।