কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় মোমবাতি ও চার্জার লাইটের আলোয় এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে প্রায় সাড়ে চার হাজার শিক্ষার্থী। পর্যাপ্ত আলোর অভাবে পরীক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে ঝড়ের কারণে নবীনগর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের ৩৩ কেভি লাইন ট্রিপ করলে পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে উপজেলার ১১টি পরীক্ষাকেন্দ্র অন্ধকারে ডুবে যায়।
জানা গেছে, নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট ৮টি এসএসসি, ২টি দাখিল এবং ১টি ভোকেশনাল কেন্দ্রের অধীনে ৪ হাজার ৪৭৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। বিদ্যুৎ না থাকায় বাধ্য হয়ে মোমবাতি ও চার্জার লাইট জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিতে হয় তাদের।
পরীক্ষার্থীরা জানান, পর্যাপ্ত আলো না থাকায় উত্তরপত্র লিখতে গিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েছেন। এতে তাদের মনোযোগ ব্যাহত হয়েছে এবং স্বাভাবিকভাবে পরীক্ষা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
এদিকে, পরীক্ষাকালে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশনা থাকলেও অনেক কেন্দ্রে বিকল্প ব্যবস্থা যেমন জেনারেটর বা আইপিএস ছিল না বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে অভিভাবকদের মধ্যেও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, ঝড়ের কারণে বিভিন্ন স্থানে গাছের ডালপালা পড়ে বিদ্যুৎ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি মোকাবেলায় পরীক্ষাকেন্দ্রে অস্থায়ীভাবে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানায়, দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামতের কাজ চলছে এবং স্বাভাবিক সরবরাহ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।